x

Tbari

Tbari.com-এ আপনাকে স্বাগতম।

"জকিগঞ্জের মাটি ও মানুষের প্রতিচ্ছবি"

জকিগঞ্জ

Tbari

জকিগঞ্জের ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার ও প্রবাসী অবদান তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম।"

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

নাসিরনগরে একাধিক ডাকাতির অভিযোগে চিহ্নিত ডাকাত সোহেল গ্রেপ্তার

পুবের আলো ডেস্ক :
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল (৩০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার উপজেলার চাপড়তলা ইউনিয়নের কালিউতা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


নাসিরনগর থানার এসআই জামালের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত সোহেল কালিউতা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।


নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


স্থানীয়দের অভিযোগ, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার তিলপাড়া, ছাতিয়াইন, রতনপুর ও আদাঐর সড়কসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত একাধিক ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। তাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছিল।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গুতমা গ্রামের জামাত আলীর দায়ের করা একটি ডাকাতি মামলায় সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মামলার বিবরণ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ডাকাতি চলাকালে দুর্বৃত্তরা জামাত আলীকে মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং তার বসতবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর জামাত আলী বর্তমানে কিছুটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন।


এলাকাবাসীর দাবি, কালিউতা গ্রামের পশ্চিম দিকে নদীর পাড়সংলগ্ন একটি নির্জন এলাকায় সোহেলের বাড়ি হওয়ায় জায়গাটি অপরাধীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে। সেখানে নিয়মিত বহিরাগত অপরাধীদের আনাগোনা এবং বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।


অতীতেও ওই এলাকা থেকে গরুসহ ডাকাত দল গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে এবং এ সংক্রান্ত একটি মামলা এখনো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। অপরাধ দমনে ওই নির্জন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


সোহেলের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করে স্থানীয়রা জানান, শুধু গ্রেপ্তারই শেষ কথা নয়; ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে, যাতে এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসে।

This theme has been developed by themebari.

একটি মন্তব্য করুন

Follow Our Page