x

Tbari

Tbari.com-এ আপনাকে স্বাগতম।

"জকিগঞ্জের মাটি ও মানুষের প্রতিচ্ছবি"

জকিগঞ্জ

Tbari

জকিগঞ্জের ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার ও প্রবাসী অবদান তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম।"

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

সরাইলে বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সম্পাদককে হত্যার উদ্দেশ্যে মারাত্মক জখম, মামলা হলেও আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে!

নিউজ রুম :
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

বিশেষ প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মজিবুর রহমানকে পরিকল্পিত হত্যার উদ্দেশ্যে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে নাভির নীচে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মারাত্মক জখম করে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। গত ৩ আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে রাজাপুর গ্রামে।

 

এ ঘটনায় ৪ আগস্ট মজিবুর রহমানের মেয়ে তাকমিনা বাদী হয়ে রাজাপুর গ্রামের শাহেদুল ও মনির মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে সরাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। 


জখমী মজিবুর রহমানের পরিবারের অভিযোগ, সেদিন রাতে মজিবুর রহমানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে লোহার শাবল দিয়ে নাভির নীচে পুরুষাঙ্গের ওপর আঘাত করা হয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে রাজাপুর গ্রামের রুমেজা খাতুনের রান্নাঘরে ফেলে রাখা হয়। বর্তমানে মুজিবুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। 


জখমী মুজিবুর রহমানের ছেলে প্রবাসী শাহীন মিয়া বলেন, বাবার এ অবস্থা শুনে আমি প্রবাস থেকে দেশে এসেছি। ঘটনার প্রায় ২০দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ একজন আসামিকেও গ্রেফতার করতে পারেনি। আমরা অপরাধীদের দৃষ্টান্ত বিচার দাবি করছি। আমার বাবার অবস্থা তেমন ভালো না।


মুজিবুর রহমানের চাচাতো ভাই মুসলেম  মিয়া বলেন, ওই সন্ত্রাসীরা আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করতে চেয়েছিল। থানায় মামলা হয়েছে, কিন্তু আসামি গ্রেফতার নেই; পুলিশের ভূমিকা আমরা বুঝতে পারছি না। এ ঘটনার মূল আসামি মনির মিয়া বিদেশে পালিয়ে গেছে। কিন্তু এয়ারপোর্টেও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারেনি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।


রাজাপুর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য হানিফ মিয়া বলেন, মুজিবুর রহমানের মতো একজন মানুষকে যদি এ অবস্থা করতে পারে, তাহলে রাজাপুর গ্রামে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? এ ঘটনায় পুলিশ আরও জোরালো ভূমিকা রাখা উচিত। 


মুজিবুর রহমানের ভাতিজা জহিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার প্রায় ২০ দিন হয়ে গেছে। এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। এ ঘটনায় পুলিশ কি করছে - কিছুই বুঝতেছি না।


রাজাপুর গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য মাহবুব মিয়া বলেন, মুজিবুর রহমানের ওপর ন্যাক্কারজনক এ হামলার তীব্র নিন্দা জানাই। এ ঘটনায় আসামিরা 

গ্রেফতার না হওয়ায় রাজাপুরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। 


এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সরাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) টিপু সুলতান বলেন, মুজিবুর রহমানের ঘটনাটি পুলিশ গুরুত্ব সহকারে দেখছে। আসামি গ্রেফতারে আমরা (পুলিশ) আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মামলার তদন্ত চলছে। আসামি গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশের কোনো গাফিলতি নেই।

This theme has been developed by themebari.

একটি মন্তব্য করুন

Follow Our Page