x

Tbari

Tbari.com-এ আপনাকে স্বাগতম।

"জকিগঞ্জের মাটি ও মানুষের প্রতিচ্ছবি"

জকিগঞ্জ

Tbari

জকিগঞ্জের ইতিহাস, সংস্কৃতি, উন্নয়ন, নাগরিক অধিকার ও প্রবাসী অবদান তুলে ধরার একটি দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যম।"

শিরোনাম ::
শিরোনাম ::

নারীর প্রাণ বাঁচিয়ে পুরস্কৃত পুলিশ সদস্য

নিউজ রুম :
প্রকাশঃ
প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ঝাঁপ দেওয়া এক নারীকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করায় পুলিশ কনস্টেবল অমিত হাসানকে পুরস্কৃত করেছে জেলা পুলিশ। সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে সার্টিফিকেট অব অ্যাপ্রেসিয়েশন ও অর্থ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনস্টেবল অমিত হাসানের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পুলিশ সুপার আব্দুর রউফ।


জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের শিমরাইলকান্দি এলাকার প্রথম সেতু থেকে ২৪ বছর বয়সী এক নারী তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে সেখানে অবস্থানরত কনস্টেবল অমিত হাসান এক মুহূর্ত দেরি না করে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে সাঁতরে ওই নারীকে উদ্ধার করে নৌকার মাধ্যমে তীরে নিয়ে আসেন।


এরপর ওই নারীকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ১ নম্বর শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক নাছির উদ্দিন হাসপাতালে গিয়ে তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কনস্টেবল অমিত হাসানের বিদায় উপলক্ষে তার ব্যাচমেট কনস্টেবল মঞ্জুর আলম ফারাবী, মো. ফয়সাল ও ইফরান মাহমুদকে সঙ্গে নিয়ে তারা শেখ হাসিনা সেতু এলাকায় ঘুরতে ও নাশতা করতে গিয়েছিলেন। এ সময় তারা ওই নারীকে নদীতে ঝাঁপ দিতে দেখেন। তখন নিজের জীবনের ঝুঁকি উপেক্ষা করে অমিত হাসান নদীতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে উদ্ধার করেন।


পরিদর্শক নাছির উদ্দিন বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ওই নারী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। পুলিশ সদস্য অমিত হাসান তাৎক্ষণিকভাবে পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে রাত ১২টার দিকে তাকে তার মা ও বোনের জিম্মায় দেওয়া হয়।


ওই নারীর পরিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার রাধিকা-জগতসার গ্রামের ওই নারীর প্রায় ছয় মাস আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তিনি স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে বসবাস করতেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা না হওয়ায় প্রায় তিন মাস আগে তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন।


কনস্টেবল অমিত হাসান নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে (সিএমপি) বদলি করা হয়েছে।


পুলিশ সুপার আব্দুর রউফ বলেন, “তিতাস নদীতে ঝাঁপ দেওয়া নারীকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধার করায় কনস্টেবল অমিত হাসানকে তার সাহসিকতা ও মানবিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে।”


পুরস্কার পাওয়ার পর কনস্টেবল অমিত হাসান বলেন, “এমন একটি মহৎ কাজের অংশ হতে পেরে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করি। আমাকে এর স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কৃত করায় জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।”

This theme has been developed by themebari.

একটি মন্তব্য করুন

Follow Our Page