সরাইলে রায়হান হত্যা মামলার আসামির কারাগারে মৃত্যু
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর )সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হোসেন আলী সরাইল সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা গ্রামের উত্তরপাড়ার অহাদ আলীর ছেলে। গত ৩ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণের পর তাঁকে রায়হান হত্যা মামলায় হাজতি হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
কারাগার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েন হোসেন আলী। পরে কারারক্ষী সাইফুল ইসলাম তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হোসেন আলীর ছেলে ইয়াসিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার তাঁর বাবা মামলার হাজিরা দিতে আদালতে যান। ওই দিন মামলার ছয় আসামি জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারের সুপার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘একজন হাজতি মারা গেছেন। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ছিলেন। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল করা হবে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে নিয়ম অনুযায়ী মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হোসেন আলীর মৃত্যুর ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত ৩০ মে গভীর রাতে সরাইল সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা গ্রামের উত্তরপাড়ায় মাদক কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে রায়হান (১৫) নিহত হয়। সে একই এলাকার মৃত ছোটন মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় রায়হানের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় হোসেন আলী এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন।
This theme has been developed by themebari.

Post a Comment