সরাইলে ২০ বিঘা কৃষি জমির পানি নিষ্কাশনের পথ আটকে পুকুর খনন, বিপাকে কৃষকেরা
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী কৃষকেরা অভিযোগ করে বলেন, ভাটি ভরাটের ফলে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টি হলেই কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে নষ্ট করে দিচ্ছে ফসল। যার ফলে একাধিকবার ফসল উৎপাদনের চেষ্টা করেও আমরা আলোর মুখ দেখছি না।
স্থানীয়ভাবে প্রতিকার না পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে জানিয়ে স্থানীয় হারুনুর রশিদ বলেন, প্রায় ২০ বিঘা ফসলি জমির পানি নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম ছিলো এই ভাটি-টা, এখানে পুকুর খননের সময়ে শামসুল হক ও আলী আজম কথা দিয়েছিল পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দিবে, কিন্তু এখন তারা এ-সব বিষয়ে কথা বললে উল্টো হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, এই ভাটি এটি শতবছরেরও বেশি পুরনো। এখান দিয়ে ফসলি জমির অবশিষ্ট পানি পাশ্ববর্তী খালে চলে যায়। যুগের পর যুগ ধরে এই ভাটি আমাদের কৃষিকাজ সহজ করে দিলেও এখন এটি বন্ধের ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে একসময় যা বন্ধ করে দিতে হবে।
স্থানীয় কৃষক হেলাল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, এ বিষয়ে গ্রামের মুরুব্বিরা বসে মীমাংসা করার একাধিকবার চেষ্টা করলেও শামসুল হক এবং আলী আজম পানি নিষ্কাশনের জায়গা ছাড়তে ইচ্ছুক না। এটি যদি উন্মুক্ত না হয় আমরা কৃষিকাজ করা অসম্ভব।
স্থানীয় ইসমাইল চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, দেড়-কানি জমিতে ফসল উৎপাদনের চেষ্টা করেছিলাম ১০ হাজার টাকা খরচে, কিন্তু পানির জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন নতুন করে চেষ্টা করতেও ভয় হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুতই উপজেলা প্রশাসনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্য দিয়ে দূর হবে এখানকার অর্ধ শতাধিক কৃষকের দুঃখ-কষ্ট। স্বাভাবিক হবে ফসলি জমির উৎপাদন।
This theme has been developed by themebari.

Post a Comment